কাউকে বলতে শুনিনি, তবু কেউ না কেউ বলেছে। এ নিশ্চিত। পৃথিবী চেয়ে থাকে জ্বলন্ত চোখের হলুদ হাইওয়ে ট্রাকগুলোর মতো। আমি শুধু গতি নিয়ে ভাবি, কারণ পৃথিবী প্রায় গোল। আমার সেদিন যাত্রা ছিলো ছয় কিলোমিটারের। সোমবারের কথা বলছি। দু-হাজার সতেরো। ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হয়েও, দূরবর্তী ছিলাম না যান্ত্রিক অবয়বের। রাস্তার নষ্ট বাতিগুলোর নিচে হয়তো ফুটেছিলো ক্রিসানথিমাম কেয়ারলেস কোনো ভাব নিয়ে। কোনো ছায়াশরীরের সাথে হয়তো তাদের আঁতাত ছিলো নক্সামাফিক। আর অনবরত কথা হচ্ছিলো লুপহোলস, এররস, ফিক্সিং, ব্লা, ব্লা নিয়ে। তুমি ভালো করেই জানো, পথোলের জলে বিশুদ্ধ শুধু প্রতিচ্ছবি আর গতিদানবের ভিড়ে শান্তি হলো উগ্রপন্থী পায়রাবাজি। তোমার ঠিক উল্টোদিকে যে হেঁটে চলে, তুমি তারও খুব খোঁজ রাখো জানি। আর আলো তোমায় ভীষণ পেয়ে বসে সকাল হলেই। জলজ প্রতিচ্ছবি নিয়ে রাতদিন পড়ে থাকা তোমার বেগানা সময়ের অ্যাবসোলিউট সিন্ড্রোম। উল্টোরথের অণুজীবের জলজ বেলুন বগলদাবা করে হাঁটা, ভাসমান জগতের ডিস্টোপিয়ান সিম্পটম। ভবিষ্যতের কথা নিয়ে বলতে গেলে তুমি আদপে বোঝ কোন রোগা কুকুরের লালায় গোপন নথির কথা লিখে রাখা আর রাতটা অহেতুক কাটিয়ে দাও সুরক্ষা বলয় ভেঙে পালিয়ে আসা সাদা-কালো এক যুবকের আশাবাদী ইশারায়।

শুদ্ধব্রত রাউত

Photo by Anete Lusina from Pexels