ফিচারবিনোদনমনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

জহর রায় সিনেমার মতো ব্যক্তিজীবনেও ছিলেন আনন্দময়

‘অগ্নীশ্বর’-এর বুকিং ক্লার্ক, যে প্রথমে ডাক্তার ষোলো টাকা ভিজিট নিচ্ছে দেখে ডাক্তারের ওপর বেশ অসন্তুষ্ট হয়ে হাতে টাকা ধরিয়ে দেয়, বিরক্তির সাথে ডাক্তারকে চেয়ার এগিয়ে দেয়! তারপর ডাক্তার যখন ওই ষোলো টাকা ভিজিটের পুরোটাই তার বিছানায় ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছে, তখন ওই আকুল ভাবে “ডাক্তারবাবু, ডাক্তারবাবু” করে ছুটে যাওয়া জহর! সত্যিই যেন কোনও ডাক্তার তাঁর ভিজিটের সবটাই ফেলে দিয়ে চলে যাচ্ছেন তাঁর বাড়িতে, এমনই বাস্তবসম্মত সেই অভিনয়! সেই বুকিং ক্লার্কই ডাক্তারের চওড়া হৃদয়ের পরিচয় পেয়ে হয়ে উঠছে তার শুভাকাঙ্ক্ষী! ডাক্তারকে যারা সরাবার ফন্দি আঁটছে, তাদের কাছে ডাক্তারকে ভালোমানুষ বলতে সে এতটুকু পিছপা হচ্ছে না, তারা তার থেকে উচ্চপদে থাকা সত্ত্বেও, ডাক্তারকে চুপিচুপি জানিয়ে যাচ্ছে, ওইসব দুর্নীতিপরায়ণ লোকগুলো কী ধরনের কুৎসা রটাচ্ছে ডাক্তারের নামে! মাত্র কয়েকটাই সিন, তাতেই আলাদা করে ছাপ রেখে যাওয়ার মুন্সিয়ানা!

(গতকালের পর)

আর ভিলেন জহর রায়? ইয়া তাগড়াই গোঁফ, গালপাট্টা-সমেত ভয়ালদর্শন হাল্লার মন্ত্রী! কিন্তু ছোটোদের জন্য বানানো সিনেমা, সেখানে এমন কিছু করলে চলবে না, যাতে বাচ্চারা ভয় পেয়ে যাবে! জহর তাঁর সিগনেচার শরীরী স্ল্যাপস্টিক আর ডায়লগ-থ্রোয়িংয়ের চূড়ান্ত হাস্যরসের ছোঁয়া দিয়ে দিলেন চরিত্রে! যুদ্ধ ঘোষণা হয়েছে, এদিকে সৈন্যদলের কেউ খেতে পায় না! অভুক্ত সেনাপতি সামান্য খাবারের কথা বললে, মুরগির ঠ্যাং খেতে খেতে মন্ত্রী বলেন – “আচ্ছা, তোমরা এত খাইখাই করো কেন বলো তো? আজ বাদে কাল যুদ্ধ হবে, চারিদিকে তোড়জোড় চলেছে, এর মধ্যে কোত্থেকে দু’ব্যাটা বাউণ্ডুলে এসে ব্যাগড়া দিতে শুরু করেছে! এর মধ্যে খাইখাইখাইখাই!” আবার আদুরে গলা করে শিশুমনের রাজাকে যুদ্ধের প্ররোচনা দেয় – “এই দ্যাকো, আবার ক-খ-গ-ঘ কতা বলে! দুদিন ভালো করে যুদ্ধু করে নাও, তাপ্পর তোমার ছুটি!” তাঁর চেয়ে ভালো হাল্লার মন্ত্রী হয়ত সত্যিই আর কাউকে পেতেন না সত্যজিৎ! নয়তো কেনই বা তিনি বলবেন – “জহর রায় অভিনয়ে না এলে ‘গুগাবাবা’ই হত না!”

অরবিন্দ মুখার্জিও কি আরেকটা গোবর্ধন চৌধুরি পেতেন? মনে পড়ছে ‘ধন্যি মেয়ে’র শেষে শিল্ডটা যখন ‘গোবর চৌধুরি’কে দান করে দিয়ে চলে যাচ্ছে কালীগতি দত্ত (উত্তমকুমার), বদলে তার বাড়িতে অত্যাচারিত চিরদুঃখী ভাগ্নি মনসাকে (জয়া ভাদুড়ী) ভ্রাতৃবধূ হিসেবে গ্রহণ করে নিয়ে চলে যাচ্ছে, তখন নিজের দুর্বলতা, অন্যায়, পরাজয় সব ঢাকতে ‘ভাঙব তবু মচকাব না’-মার্কা সেই অবিস্মরণীয় ডায়লগটা, “হেঁহেঁ, বলিনি, শিল্ড আমি গাঁয়ের বাইরে যেতে দোব ন্না”? সিনেমা জুড়ে উত্তম-সাবিত্রী কিংবা পার্থ-জয়ার নায়ক-নায়িকা জুটিদ্বয়ের পাশেও এতটুকু ম্লান দেখায় না কালোবাজারি ক্লাব প্রেসিডেন্ট গোবর্ধন চৌধুরির ভূমিকায় অভিনয় করা জহর রায়কে! রেগে গিয়ে ভাগ্নিকে যখন মারছে, সেই দৃশ্যেও কী স্বাভাবিক অভিনয়! খেলা দেখতে দেখতে এমন করছেন যেন সত্যি সত্যিই মাঠে বসে খেলা দেখছেন! সেই একই উত্তেজনা শরীরে, নিজের দল গো-হারান হারছে দেখে প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেনের (পার্থ মুখোপাধ্যায়) পায়ে লাঠির খোঁচা মারছেন, সাইডলাইন থেকে নিজের ক্লাবের খেলোয়াড়কে নির্দেশ দিচ্ছেন ক্যাপ্টেনের পায়ে ল্যাং মেরে তাকে আহত করে দিতে, রেফারি করে নামানো তোতলা পুরোহিত লম্বোদর ভটচাযের ফূর্তি দেখে তার উদ্দেশ্যে অসহায় রাগ দেখিয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় চেঁচাচ্ছেন – “পুররর, দাঁড়াও তোমার পুররর করা আমি বের করছি! …রাস্কেল রেফারি হয়েছে! একটা পেনাল্টি দিতে জানে না, রেফারি হয়েছে, স্টুপিড কোথাকার! খেলা ভাঙুক, তারপর তোমার আমি ঠ্যাং ভাঙব!” ভিলেন গোবর্ধনের দুঃখে যত না আনন্দ পাচ্ছে দর্শক, তত বেশি হাসিতে গড়িয়ে পড়ছে জহরের অভিনয়ের কৌশল আর ডায়লগ-থ্রোয়িংয়ের জন্য!

আরো পড়ুন : হর্ষবর্ধন-গোবর্ধনের চরিত্রে ভানু-জহর!

কে জানে, ডায়লগের কতটা অরবিন্দর বানানো আর কতটা জহরের নিজের ইম্প্রোভাইজেশন! সে তর্ক থাক, সিনেমাগুলো আজও আমরা দেখব, বিশ্বকাপ ট্রফি-ধরা পুটিনের মুখে ডায়লগ বসিয়ে দিয়ে মিম ভাইরাল করব, আর জহর হয়ত মিটিমিটি করে হাসবেন, যেরকম দুষ্টু হাসিটা তাঁর ঠোঁটে লেগে থাকত বরাবর! জয়া ভাদুড়ীকে বিরাট সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন জহর এই সিনেমার শুটিং চলাকালে! অরবিন্দকে বলেছিলেন, একে কোথা থেকে জোগাড় করলি রে! এ মেয়ে অনেকদূর যাবে! জহর তখন জহুরির ভূমিকায়!

আবার ঋত্বিকের ‘সুবর্ণরেখা’-য় এক সম্পূর্ণ অন্যরকম ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে জহরকে! মিশ্রচরিত্রের ফাউন্ড্রি ওয়ার্কশপের ফোরম্যান যোগেন মুখার্জি, যে কিনা একসময় নতুন আগত কেস হ্যান্ডলার ঈশ্বর চক্রবর্তীর বোন সীতাকে দেখে তাকে কত গল্প বলে, নতুন বাড়ির কথা কত সুন্দর করে সাজায়, ঈশ্বর ম্যানেজার হলে তার আনন্দ আর ধরে না, ঈশ্বরের পালিত ভাই অভিরামকেও সে ভালোবেসে ফ্যালে, তারপর যেই জানতে পারে অভিরাম আসলে বাগদি অর্থাৎ ‘নিচু জাত’ অমনি উপদেশ দিতে থাকে তাকে বিদেয় করার জন্যে! তারপর ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাত সমস্ত শেষে ঈশ্বর যখন সর্বস্বান্ত, অভিরাম আর সীতা দুজনেই নিয়তির কাছে হার মেনে বিদায় নিয়েছে পৃথিবী থেকে, রেখে গেছে তাদের একমাত্র সন্তান বিনুকে, তখনই যোগেন মুখার্জি চিঠিতে লেখে, সে ম্যানেজার হয়েছে, ঈশ্বরের যা যা জিনিস বাংলোবাড়িতে আছে, সমস্ত যেন পত্রপাঠ নিয়ে চলে যায়! যোগেন মুখার্জি তখন আর কোনোভাবেই ঈশ্বরের শুভাকাঙ্ক্ষী নয়, ক্ষমতা পেয়ে গিয়ে সেও মুখ ফিরিয়ে নিল অসহায় ঈশ্বরের থেকে!

“ইমলি কা পানি সে জমতা হ্যায় কেয়া! ইয়ে দেখো কন সা পানি হ্যায়!” – ‘নিশিপদ্ম’ ছবির সেই দৃশ্য। ছবিসূত্র- সুস্নাত চৌধুরীর ব্লগ ‘বাংলা আমার’, হরফ ঢালাই।

জহরের অভিনয়ের কতকগুলো বৈশিষ্ট্য ছিল। যেমন একটা হল, বেশিরভাগ কথাই তিনি বলতেন হাসতে হাসতে, মিটিমিটি দুষ্টু হাসি, হাসির কথা বলার সময়েও, আবার যে কথায় দর্শক চরিত্রটাকে ঘৃণা করবে, সেরকম কথা বলার সময়েও! অভিনয়টা আসলে তাঁর কাছে ‘প্লেন অ্যান্ড সিম্পল’, চরিত্রের খাতিরে যেটুকু স্বাভাবিকত্ব বদলানোর দরকার, সেটুকুই, বাদবাকিটা একই থাকে!

পর্দায় যেমন সকলকে আনন্দ দিয়ে অভিনয় করেছেন, নিজেও উপভোগ করেছেন, ব্যক্তিজীবনেও তেমনই আনন্দময়! রঙ্গ-রসিকতা, চটজলদি জবাব এসব তো ছিলই, আর ছিল প্রচুর বন্ধু! শান্তিপ্রিয় মানুষ ছিলেন, ঝামেলা-ঝগড়ায় বেশি জড়াতেন না, এমনকি ভানুকেও অনেকসময় বলতেন – “চেপে যা, ঝামেলা করিস না”। ভানুর সাথে তাঁর আজীবন হৃদ্যতা ছিল, নানা বিষয়ে মতের অমিল হলেও যেরকম পর্দায় তাঁদেরকে দেখে মনে হয়েছে ‘মেড ফর ইচ আদার’, পর্দার বাইরেকার জীবনেও দুজনে ছিলেন হরিহর আত্মা! দুজনের আলাপ যখন হয়েছিল, দুজনেই তখন সিনেমা-জগত থেকে বহুদূরে! দুজনেই তখন সদ্য কুড়ি পার করেছেন! ভানুর স্মৃতি বলে – “জহর রায়ের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় চিত্র-পরিচালক সুশীল মজুমদারের বাড়িতে। সালটা হবে হয়ত ১৯৪১ কি ’৪২। পুরনো পরিচয়ের সুবাদে ঢাকা থেকে এসে আমি ওই বাড়িতেই উঠেছিলাম। সুশীলদার স্ত্রী পাটনার মেয়ে, সেই পরিচয়ে জহর আসত ওই বাড়িতে”। সেইসময় জহরের মন জুড়ে কেবলই চার্লি, গ্রেট ডিক্টেটরের অভিনয় করে দেখিয়েছেন! তারপর দুজনে প্রায় একইসময়ে পদার্পণ করলেন সিনেমায়, ভানু বিভূতি চক্রবর্তীর ‘জাগরণ’-এ, আর জহর ‘পূর্বরাগ’-এ! ‘বসু পরিবার’ ছবিতে দুজনেই পাওনাদারের ভূমিকায় বেশ অনেকখানি জুড়ে, কিন্তু প্রথমে দু’জনের নামই রাখা হয়নি! তারপর বেশ ঝামেলার পর পাবলিসিটি অফিসার বাধ্য হলেন তাঁদের নাম রাখতে! একসময় যাঁদের নাম রাখতে দ্বিধাবোধ করতেন এইসব অফিসাররা, তাঁদের নামেই কিনা পরবর্তীকালে তৈরি হয়ে গেল সিনেমা!

রাষ্ট্রীয় পুরস্কার তাঁরা নাই পেতে পারেন, এই বিরল সম্মানের কাছে রাষ্ট্রীয় পুরস্কারও তো তুচ্ছ! ১৯৫২ থেকে ’৬২ অবধি উল্টোরথ পুরস্কার, যাকে বলা হত ‘বাংলার অস্কার’, টানা এগারো বছর এই পুরস্কার নিজেদের ঝুলিতে রেখেছিলেন এই দু’জন! ভানু দশ বার (‘বসু পরিবার’, ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, ‘ছেলে কার’, ‘জয় মা কালী বোর্ডিং’, ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’, ‘দাদাঠাকুর’-এর মত ছবিতে কাজ করে) আর জহর এক বার (‘দুই বেচারা’ ছবির জন্য, ১৯৬০ সালে)। ১৯৬৮-৬৯ সালে যখন প্রোডিউসারদের সাথে টেকনিসিয়ানদের ঝামেলা শুরু হল, তখন ‘অভিনেতৃ সঙ্ঘ’ ভেঙে গিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘শিল্পী সংসদ’। ভানু ছিলেন অভিনেতৃ সঙ্ঘে, জহর শিল্পী সংসদে। বিরোধীপক্ষে থাকা সত্ত্বেও দুজনে নিজেদের বন্ধুত্বে সেই প্রভাব পড়তে দেননি!

আরো পড়ুন : জহর রায় কান ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন নরেশ মিত্রের সামনে

ভানুকে জহর ডাকতেন ‘ভেনো’ বলে, তেমনি জহরকে ভানু ডাকতেন ‘জহুরে’! এমনই বিশ্বাস ছিল সেই সম্পর্কে যে অনেক নিম্ন-মানসিকতার লোকই দু’জনের সম্পর্কে চিড় ধরাতে গিয়ে অপমানিত হয়েছে। দু’জনেরই কানে যেত কে কী রটিয়ে বেড়াচ্ছে! ভানু তো রেগে গেলে শ্লীল-অশ্লীল, ভদ্র-অভদ্র কোনও জ্ঞান করতেন না, কাঁচা খিস্তি দিয়ে দিতেন আর বলতেন – “লোকের কথায় কী আসে যায় কও। আমি কী সেটা জহর ভালো কইরাই জানে, আর জহর কী সেটা আমিও জানি”। জহর অবশ্য এতটা নয়, তিনি মিষ্টি কথায় বলতেন – “যারা ওইসব কথা রটাচ্ছে তাদের মুখের মত জবাব দেওয়ার জন্যে একবার বাথরুমে যাওয়া দরকার”। সাধে কী আর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন – “ভানু-জহরও উত্তম-সুচিত্রার মতই অপরিহার্য ছিলেন!”

জহরের অভিনয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভানু বলেছেন – “ওর যেটা সব চাইতে বড় গুণ ছিল সেটা হচ্ছে প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব – যে কোনও ঘটনা সঙ্গে সঙ্গে কৌতুকে রূপ দিতে পারত, …আর একটা গুণ হচ্ছে Physical Fitness. নাকের ওপর একটা ঘুষি মারলে সত্যি সত্যি মারা যায় না, সেটা অভিনয়, কিন্তু জহর সমস্ত শরীরটা ঠেলে দিয়ে এমনভাবে পড়ে যেত যে সেটা কিছুতেই অভিনয় বলে মনে হত না”। পারিবারিক পর্যায়ে চলে গিয়েছিল তাঁদের বন্ধুত্ব! ভানুর স্ত্রী নীলিমা দেবীর যেমন মত, জহর রায়ের মতো কমিক অ্যাক্টিং কেউ করতে পারে না, আবার জহরের স্ত্রী কমলা রায় ভক্ত ছিলেন ‘ভানুদা’র! ভানু যখন গাড়ি কিনেছিলেন, তখন যত না ভানুর আনন্দ, তার চেয়ে বেশি আনন্দ জহরের! ভানুকে বলতেন, ও গাড়িতো আমারই! ভানুও যখনই জহর গাড়ি চাইতেন, পাঠিয়ে দিতেন! বাঙাল হওয়া সত্ত্বেও জহর বেশির ভাগ সময়েই কলকাতা আর পাটনায় কাটানোর ফলে বাঙাল ভাষাটা অতটা বলতে পারতেন না। অনেকেই ঠাট্টা করত এ নিয়ে! জহরের সাফ উত্তর ছিল – “সেটা একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে রে। আমি গড়গড়িয়ে বাঙাল ভাষা বলতে পারলে ভানুর ভাত মারা যেত। ওকে আর করে খেতে হতনা”। এমন অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বের ব্র্যাকেটটা, ভেঙে গেল, হঠাৎই!

(আবার আগামীকাল…)

ভালোবাসার পক্ষে থাকুন, নিবিড়-এর সঙ্গে থাকুন

About author

Articles

গবেষক ও লেখক
সোহম দাস
Related posts
পর্যালোচনামনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

‘কাবেরী অন্তর্ধান’ – নকশাল আন্দোলনের কুহকে ভালোবাসার গল্প

সত্তর দশকের নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই ছবি। ছবির মধ্যে নকশাল আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এই ছবি প্রেম বিষয়ক। প্রেমকে কেন্দ্র করে যেসব সম্পর্ক-বিচ্ছেদ তৈরি হয়, এই ছবি তারই এক অনন্য সাক্ষ্য বহন করে। ছবির…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

নিষেধ উপেক্ষা করেই মোদিকে নিয়ে বিবিসি'র ডকুমেন্টারি দেখাবে ছাত্র সংসদ

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিবিসি’র বিতর্কিত তথ্যচিত্র নিয়ে শোরগোল তুঙ্গে। অবস্থান স্পষ্ট করেছে কেন্দ্র। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও তথ্যচিত্রটি দেখানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশের ছাত্র আন্দোলনের আঁতুরঘর বলে পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

অস্কারের দৌড়ে একাধিক ভারতীয় ছবি! আরআরআর, কান্তারা, থেকে গাঙ্গুবাই

‘কান্তার’, ‘আরআরআর’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়’— অস্কারে ভারতীয় ছবির তালিকা ছোট নয়। প্রাথমিক বাছাই পর্ব পেরিয়ে, টপকাচ্ছে চারটে ছবিই। এই প্রথম একসঙ্গে চারটি ভারতীয় ছবি বিশ্বের দরবারে। এই মুহূর্তে বাছাই তালিকায় মোট ৩০১টি বড়…
Read more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *