ফিচারবিনোদনমনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

জহর রায় মঞ্চের ওপর বিপদে ফেললেন সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে

জহর নিরাশ করেননি, কোনোদিনই, কাউকেই! জহরের সাথে তমলুকের ওই অনুষ্ঠানেই গিয়েছিলেন অপরেশ লাহিড়ী, তাঁর স্ত্রী বাঁশরী লাহিড়ী এবং তাঁদের ছ’বছরের ছেলে বাপি! ছ’বছরের বাপি অসাধারণ তবলা বাজায় শুনে জহর রবিকে বলেছিলেন, “তা তোরা কি আর ওকে তবলা বাজাতে দিবি ঠিক করে! একটু ভালো বাজালেই তো এমন মাথায় তুলবি, যে বারোটা বেজে যাবে!” যাই হোক, জহরের সেই আশঙ্কা যে সত্যি হয়নি, সেটা অল্পদিনের জন্যে হলেও দেখে যেতে পেরেছিলেন তিনি, আর তাতে নিশ্চয় আনন্দই পেয়েছিলেন!

(গতকালের পর)

আর ছিল অসংখ্যা কমিক-স্কেচ! ‘টাঙাওয়ালা’, ‘ন্যাপাসুর বধ’, ‘ফাংশান থেকে শ্মশান’, ‘সধবার একাদশী’ – বাংলা সংস্কৃতির এক-একটি রত্ন। ওই যে নিউ ক্যাথেতে বসে পান করার কথা বলে রবিকে কপট ধমক দিচ্ছিলেন জহর, চৌরঙ্গির ওই নিউ ক্যাথে রেস্টুর‍্যান্ট অ্যান্ড বারে নিয়মিত মদ্যপান করতেন জহর! বলতেন, “মদ না পেটে পড়লে আমার মাথায় আইডিয়া আসে না।” মদ খেতে খেতেই ‘টাঙাওয়ালা’ আর ‘ন্যাপাসুর বধ’-র আইডিয়া মাথায় এসেছিল!

‘ন্যাপাসুর বধ’ একটি নির্ভেজাল ক্লাসিক! জহর শুনেছিলেন, কোনও একটা পাড়ায় বিশ্বকর্মা পুজোর আগে পাড়ার ছেলেরা প্রতিমা নিয়ে আসার সময় হাতির শুঁড়টি ভেঙে যায়, তারপর সেটাকে ছেলেরা মাথার ওপর ঘোরাতে ঘোরাতে নিয়ে আসে! ব্যস, জহরের মাথায় প্লট খেলে গেল! বিশ্বকর্মার বদলে করে দিলেন দুর্গা! আর হাতির শুঁড়ের জায়গায় ভেঙে গেল আস্ত অসুর। তখন পাড়ার ‘পার্মানেন্ট বেকার’ ন্যাপাচন্দ্রকে অনেক বুঝিয়েসুঝিয়ে অসুর সাজতে রাজি করানো হল। প্রথম দুদিন ভালোই গেল, তারপর ওইরকম আধশোয়া অবস্থায় টানা থেকে থেকে তার ঘাড়ে-পিঠে ব্যথা ধরল, তারপর বিসর্জনের দিন তাকে শুদ্ধু গঙ্গায় ফেলা হল-সেই নিয়ে এক অভাবনীয় হাসির ইন্দ্রজাল! সুপারহিট! আর জহর একাই অভিনয় করছেন প্রত্যেকটি রোলে! তিনি পাড়ার মস্তান, আবার তিনিই ভদ্রলোক, কখনও প্রেমিক, কখনও প্রেমিকা, আবার একবার স্বামী হচ্ছেন, একবার স্ত্রী হচ্ছেন!

প্রথমে তাঁর বেশিরভাগ কৌতুক নক্সা বেরিয়েছিল মেগাফোন রেকর্ড কোম্পানি থেকে। তারপর জার্মান কোম্পানি পলিডরের ব্রাঞ্চ স্থাপিত হল বোম্বেতে, ১৯৬৯ সালে। বোম্বেই শাখায় তখন কাজ করতেন এক বাঙালি হীতেশ চ্যাটার্জি! ১৯৭২ সালে হীতেশের কথায় সঙ্গীতশিল্পী প্রশান্ত ভট্টাচার্য জহরের কাছে গেলেন আসন্ন পুজোয় জহর যদি তাঁদের কোম্পানিতে কৌতুক নক্সা রেকর্ড করান! জহর তখন জন্ডিসে আক্রান্ত! এদিকে মেগাফোনের কমল ঘোষ তাঁর কোনও খবর নেননি! কিছুটা সেই অভিমান থেকে, আর পলিডরের তরফ থেকে বেশ অনেকটা সাম্মানিক পেয়ে জহর রাজি হয়ে গেলেন পলিডরে রেকর্ড করাতে! সেবছর পুজোয় ‘ফাংশান থেকে শ্মশান’ করলেন। পরের বছর কেতকী দত্তের সাথে করলেন ‘সধবার একাদশী’। দুটোই তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল! আমাদের দুর্ভাগ্য, এসব রেকর্ডের বেশিরভাগই আর পাওয়া যায়নি!

কমিক স্কেচের ব্যাপারে জুনিয়র সহ-শিল্পীদেরকেও গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিতেন জহর। যেমন শীতল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কমিক স্কেচের ব্যাপারে শীতলকে সাহায্য করেছিলেন জহর! সেখানে দেখানো হচ্ছে, একটি ছেলে সারা কলকাতা ঘুরে কিছুতেই বান্ধবীকে বলতে পারছে না “আমি তোমায় ভালোবাসি”, শেষপর্যন্ত আউটরাম ঘাটে গিয়ে অবশেষে বলছে! জহরের মনে হল, ব্যাপারটা খুব প্রেডিক্টেবল হয়ে যাচ্ছে, দর্শক বুঝে যাচ্ছে চূড়ান্ত দৃশ্যের আগেই। পরদিনই অমিয় নিবাসে ডেকে পাঠালেন শীতলকে। বললেন, “ক্লাইম্যাক্সে ছেলেটি মেয়েটিকে বলুক, তুমি হয়ত ভাবছ আমি তোমায় আমাকে ভালোবাসার কথা বলব। কিন্তু তা নয়, আমাকে ভালোবাসার দরকার নেই, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তুমি সারা ভারতবর্ষকে ভালোবাসো, দেশকে ভালোবাসো। দেখবি, ব্যাপারটা জমে যাবে। দর্শক যখন হাততালি দেবে তখন সেই হাততালি থামিয়ে দিয়ে তোর ছেলেটি তার প্রেমিকাকে বলবে, আর সেই ভারতের মানুষ হিসেবে তুমি আমাকে একটু বেশি করে ভালোবাসো। দেখবি, হাততালির চোটে প্যাণ্ডেলে পায়রা উড়ে যাবে”। এমন প্রাঞ্জলভাবে বুঝিয়ে দেওয়া, বড়ো মনের শিল্পী মাত্রেই বুঝি সম্ভব!

৭১/১এ, পটুয়াটোলা লেন। জহরের অফিস এখন পার্টি অফিস।

থিয়েটারের ক্ষেত্রে জহরের ব্যাপারটা আবার কিছুটা অদ্ভুত! বেশিরভাগ কলাকুশলীদের মত পেশাদার নাট্যাভিনেতা থেকে পেশাদার চলচ্চিত্রাভিনেতা হওয়াটা জহরের হয়নি, থিয়েটারে অভিনয় করলেও আটকে ছিলেন অ্যামেচারেই। বরং পেশাদার থিয়েটার করেছেন সিনেমায় নামার পরেই। অথচ সেই জহরই থিয়েটারের জন্য যা করেছেন, সেই ঋণ শোধ করা অসম্ভব! ‘অনর্থ’, ‘উল্কা’, ‘সুবর্ণগোলক’, ‘আমি মন্ত্রী হলাম’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’ এরকম কত নাটকে প্রায় একাই সবটুকু হাততালি কুড়িয়ে নিয়ে গেছেন! সুশীল মুখোপাধ্যায়ের ‘অনর্থ’ নাটকে ভিলেনের চরিত্রে এমন অভিনয় করেছিলেন, যে, একসময় যাকে স্টেজে ঢুকতে দেখলেই দর্শক হাসতে শুরু করে দিত, সেটা বন্ধ হয়ে যায়! তবে থিয়েটারের প্রতি তাঁর ভালোবাসার নিদর্শন হিসাবে এই অনবদ্য অভিনয় ক্ষমতাকেও বুঝি ছাপিয়ে গিয়েছিল রংমহল থিয়েটারকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাঁর আপোষহীন লড়াই! ষাটের দশকের শেষ দিকে রংমহল থিয়েটারের মালিকরা ঠিক করেছিলেন, হলটা তুলে দেবেন! ব্যস, নিরীহ, শান্ত জহর এই শুনে শিল্পীদের নিয়ে রাস্তায় বসে গেলেন ধরনায়! সকলে মিলে তৈরি করলেন ‘রংমহল শিল্পীগোষ্ঠী’। সেই শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান হলেন দু’জন জহর এবং সরযূবালা দেবী! এই রঙমহলে একের পর এক মঞ্চস্থ হয়েছে ‘উল্কা’, ‘সুবর্ণগোলক’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’, রাতের পর রাত!

‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’-এর শো চলাকালীন আরেকটি মজার কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন এই জাতশিল্পীটি! সত্য বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছিলেন হাজারি ঠাকুর, আর জহর হয়েছিলেন মতি চাকর। এবার সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাপার ছিল, তিনি কিছুতেই হাসি চাপতে পারতেন না! নাটকে হাজারি ঠাকুর মতিকে ডেকেছে, আর মতি স্টেজে ঢুকেছে একেবারে ময়দামাখা সাদাভূত হয়ে! চাকরের মেক-আপ, তার ওপর ওইরকম ময়দামাখা চেহারায় জহরের স্ল্যাপস্টিক আর পিটপিট করে তাকানো দেখে সত্যর তো হাসিতে পেট ফাটার উপক্রম! এদিকে নাটক তো চলছে, কী করা যায়! এসব তো কিছুই স্ক্রিপ্টে ছিল না! বোঝাই যাচ্ছে, এসব জহরেরই ফন্দি! সত্য তার মধ্যেও চেষ্টা করছেন “একী অবস্থা হয়েছে তোর”, “যা যা বেরো”, “আগে চান করে আয়” এসব বলে জহরকে কোনোভাবে স্টেজ থেকে বার করে দিয়ে অবস্থা সামাল দিতে, কিন্তু জহর কী অত সহজে ছাড়বার পাত্র নাকি! তিনি সত্যর কথার উত্তরে তাঁর মিষ্টি উচ্চারণে মিটিমিটি হেসে “বলো না ঠাকুর, কেন ডাইকতেছিলে?” এসব বলে আরও বিপদে ফেলে দিচ্ছেন সত্যকে! শেষপর্যন্ত সত্য তাঁকে ঠেলে কোনোরকমে বার করে দিয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন! কিন্তু তার মধ্যেই দিব্যি তাৎক্ষণিক ডায়লগ-থ্রো করে গিয়েছেন দুজনেই, কোনো জড়তা ছাড়াই, দর্শক বুঝতেই পারেনি! পরে সত্য বলেছিলেন, জহরটা এমন কাণ্ড করে না মাঝে মাঝে!

আরো পড়ুন : জহর রায় কান ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন নরেশ মিত্রের সামনে

সত্যি, এমন কাণ্ড জহর প্রায়ই করতেন! প্রায়ই এরকম অপ্রস্তুতে ফেলে দিতেন কাছের মানুষদের! যেরকম অপ্রস্তুত করেছিলেন ওই নরেশ মিত্রকে! আবার রবি বসুকেই একবার আরেকরকমভাবে ভড়কিয়ে দিয়েছিলেন! এই রংমহল থিয়েটারের আড্ডাতেই রবিকে ভেবড়ে দিয়ে বললেন, “সত্যজিৎ রায়ের আলজিভ যদি দেখার ইচ্ছে থাকে তাহলে কাল সকালবেলা আমার মেসে চলে আয়”। মেস মানে ‘অমিয় নিবাস’! জহর তো ওই সত্যজিতের আলজিভের ব্যাপারে এমন জোর দিলেন, রবি বসু ভাবলেন কী না কী ব্যাপার! আসলে ব্যাপার কিছুই না, উল্টোরথেরই অনুষ্ঠানে ‘ন্যাপাসুর বধ’ দেখে স্বয়ং সত্যজিৎ রায় এত হেসেছিলেন, যে তাঁর আলজিভ অর্থাৎ টনসিলটি অবধি দেখা যাচ্ছিল একটি ক্লোজ-আপ ফোটোতে! সেই ফোটোই পরেরদিন দেখান রবিকে! রবি তা দেখে হাসবেন না কী করবেন ভেবে পান না। পর্বতের মূষিক প্রসবের মত ব্যাপার আরকি! আবার এই জহরই, সত্যজিতের এমন প্রাণখোলা হাসি দেখে সাথে সাথে একথাও বলতে ছাড়েন না, যে গ্রেট ম্যান মাত্রেই এমনভাবে হাসতে পারেন! তবে “কেউ বাইরে হাসে, আর কেউ হাসে ভেতরে। কারও হাসি দেখা যায়, কারও দেখা যায় না। হাসতে না জানলে ক্রিয়েটিভ হওয়া যায় না”।

এই একটা মজার ঘটনাটা ঘটাচ্ছেন, আবার সাথে সাথেই কী প্রচণ্ড সিরিয়াস! এই সত্যজিৎ রায়ের সাথেও কতবার মজা করেছেন! যেমন, ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ ছবির শুটিংয়ে জয়সলমীর পৌঁছেছিলেন সকলের শেষে। কলকাতায় অন্য ছবির শুটিং সেরে জয়সলমীর যাওয়ার কথা! জয়সলমীরে যেখানে ফিল্ম ইউনিট উঠেছে সেখানে ট্যাক্সি করে তাঁর পৌঁছনোর কথা রাত দশটায়! এদিকে বারোটা পেরিয়ে গেল, তাঁর দেখা নেই! তারপর আড়াইটেয় এসে বললেন গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়েছিল। কিন্তু সেটা কীভাবে বলেছিলেন সত্যজিৎ রায়কে, সেটা শুনলে তবে তো বোঝা যাবে, চটজলদি হাস্যরস সৃষ্টির কী অতুলনীয় ক্ষমতা ছিল তাঁর! “সর্দারজি ড্রাইভার বাঁ হাত কাঁধের পিছনে রেখে ডান হাতে আপেল নিয়ে তাতে কামড় দিচ্ছেন, স্টিয়ারিং-এ রেখেছেন নিজের ভুঁড়িটা। সেটাকে একটু এদিক ওদিক করলেই গাড়ি এদিক ওদিক ঘুরছে। এমন সময় হুশ করে রাস্তার মাঝখানে পড়ে গেল খরগোশ। তাকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়ি গেল উল্টে। আমার হুঁশ ছিল, দেখলাম আমি গড়াচ্ছি, আর আমার পাশ দিয়ে গড়াচ্ছে দু’টো হোল্ড অল। খটকা লাগল— হোল্ড অল তো সঙ্গে একটি, অন্যটি এল কোত্থেকে? বুঝলাম ওটি হলেন আমাদের সর্দারজি”। যাক, সে যাত্রায় জহর রায়, সর্দারজি আর গাড়ি তিনটেই খুব জখম হননি, সুতরাং শুটিং দিব্যি করেছিলেন! সত্যজিতের প্রতি অসম্ভব শ্রদ্ধাও ছিল তাঁর! সত্যজিৎ তাঁর থেকে বছর দুয়েকের ছোট হলেও তাঁকে ডাকতেন ‘মানিকদা’ বলে! সত্যজিৎ এর কারণ জানতে চাইলে উত্তর দিয়েছিলেন – “আমি আপনার চেয়ে এজে বড়, কিন্তু আপনি যে ইমেজে বড়”! আহা, কী অসাধারণ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ!

(আবার আগামীকাল…)

ভালোবাসার পক্ষে থাকুন, নিবিড়-এর সঙ্গে থাকুন

About author

Articles

গবেষক ও লেখক
সোহম দাস
Related posts
পর্যালোচনামনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

‘কাবেরী অন্তর্ধান’ – নকশাল আন্দোলনের কুহকে ভালোবাসার গল্প

সত্তর দশকের নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই ছবি। ছবির মধ্যে নকশাল আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এই ছবি প্রেম বিষয়ক। প্রেমকে কেন্দ্র করে যেসব সম্পর্ক-বিচ্ছেদ তৈরি হয়, এই ছবি তারই এক অনন্য সাক্ষ্য বহন করে। ছবির…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

নিষেধ উপেক্ষা করেই মোদিকে নিয়ে বিবিসি'র ডকুমেন্টারি দেখাবে ছাত্র সংসদ

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিবিসি’র বিতর্কিত তথ্যচিত্র নিয়ে শোরগোল তুঙ্গে। অবস্থান স্পষ্ট করেছে কেন্দ্র। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও তথ্যচিত্রটি দেখানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশের ছাত্র আন্দোলনের আঁতুরঘর বলে পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

অস্কারের দৌড়ে একাধিক ভারতীয় ছবি! আরআরআর, কান্তারা, থেকে গাঙ্গুবাই

‘কান্তার’, ‘আরআরআর’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়’— অস্কারে ভারতীয় ছবির তালিকা ছোট নয়। প্রাথমিক বাছাই পর্ব পেরিয়ে, টপকাচ্ছে চারটে ছবিই। এই প্রথম একসঙ্গে চারটি ভারতীয় ছবি বিশ্বের দরবারে। এই মুহূর্তে বাছাই তালিকায় মোট ৩০১টি বড়…
Read more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ফিচারবিনোদনমনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

জহর রায় কান ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন নরেশ মিত্রের সামনে

Worth reading...