ফিচারবিনোদনমনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

জহর রায় কান ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন নরেশ মিত্রের সামনে

কাকভোর। বেলতলা রোডে তখনকার প্রখ্যাত পরিচালক নরেশ মিত্রর বাড়িতে এসে হাজির হয়েছেন নাদুসনুদুস কৌতুকাভিনেতাটি (বাড়িটা যে রাস্তায় সেই রাস্তার এখনকার নাম নরেশ মিত্র সরণি)। নরেশচন্দ্র মিত্র ছিলেন শিশির ভাদুড়ী, দানীবাবু (প্রকৃত নাম সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ; গিরিশচন্দ্র ঘোষের সুযোগ্য পুত্র) প্রমুখ কিংবদন্তী মঞ্চাভিনেতাদের সমসাময়িক অভিনয়-ব্যক্তিত্ব! যেরকম মঞ্চে, সেরকমই পর্দায়। পরিচালক হিসেবেও ছিলেন খ্যাতনামা; স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ তাঁর হাতে ‘গোরা’-র চিত্রনাট্য তুলে দিয়েছিলেন, এ ছবি এই সিনেমা শুরুর আগে দেখানো হয়েছিল। তা এহেন নরেশ মিত্রর বাড়িতে এই সাতসকালেই এসে হাজির হয়েছেন যখন অভিনেতাটি, তখনও পরিচালকের ঘুমই ভাঙেনি। তিনি দিব্যি নিচের ঘরে অপেক্ষা করতে লাগলেন।

নরেশ মিত্র তারপর যখন এলেন, সটান তাঁর সামনে কান ধরে দাঁড়িয়ে গেলেন অভিনেতা! নরেশ তো তাঁকে দেখে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠে গালাগাল করতে শুরু করে দিলেন! কিন্তু অভিনেতাটি তাতে একটুও বিচলিত হলেন না, ঠায় ওরকম কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকলেন। একসময় নরেশ নিজেই হাঁপিয়ে গেলে তারপর শান্ত হয়ে বললেন, “আর ওরকম করবি না কখনও। যা এখন, দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে! আর পরশু অফিসে গিয়ে জিগ্যেস করে আসিস, তোর শুটিং কবে আছে!” ব্যস, অভিনেতার মুখে চওড়া হাসি! তারপর নিজেই বললেন, “আজ্ঞে, অভয় দেন তো একটা কথা বলি!” নরেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “আবার কী কথা?” তখন অভিনেতা বলছেন, “আপনার সম্পর্কে যে শুনেছি আপনি দানীবাবুকে স্টেজে এরকম করে জ্বালাতন করতেন! তা সেই পদ্ধতিটাই আপনার ওপর প্রয়োগ করে একটু দেখছিলাম!” একটু আগেই যিনি অত খিস্তিখেউড় করছিলেন রেগে গিয়ে, মুহূর্তে সেই তিনি, নরেশ মিত্র, একেবারে হাসিতে ফেটে পড়লেন। পুত্রসম অভিনেতাকে বললেন, “ওরে, তোর পেটে পেটে এত!” আসলে, ব্যাপার সেরকম গুরুতর কিছু না! আবার নরেশবাবুর দিক থেকে দেখতে গেলে বেশ গুরুতরও বটে!

আগের দিন ইন্দ্রপুরী স্টুডিওতে নরেশের কোনও একটা ছবির (সম্ভবত ‘উল্কা’) শুটিং চলছিল। শট চলছে, এমন সময় হঠাৎ সবাই শুনল, পরিচালক ‘কাট’ বললেন। সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরা থেমে গেল, সেট লাইট জ্বলে উঠল, বড়ো আলোগুলো নিভে গেল, সেট লাইটের প্রপেলার ফ্যান চলতে লাগল! কিন্তু এদিকে আরেক গণ্ডগোল, নরেশবাবু বলছেন যে উনি তো ‘কাট’ বলেনইনি! তবে অবিকল পরিচালকের গলা করে কে ‘কাট’ বললেন? যথারীতি সকলে বুঝতে পারল, কালপ্রিটটি কে! কিন্তু তিনি ততক্ষণে পগার পাড়! প্রবীণ পরিচালক নরেশ, এমন বেইজ্জতি দেখে তিনি তো রেগে ফায়ার! ঘোষণা করলেন, “ওকে আর নেবই না, ওর জায়গায় অন্য আর্টিস্টকে দিয়ে কাজ করাব, আর যে দুটো সিন করেছে ফেলে দেব!” নরেশবাবুর গলাটি ছিল খানিক অনুনাসিক! আর সেটাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নকল করতে পারতেন অসম্ভব প্রতিভাধর অভিনেতাটি! পর্দার পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনেও এমনই রসিক মানুষ ছিলেন জহর রায়!

দুই প্রিয় বন্ধু ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (বাঁদিকে) এবং অজিত চট্টোপাধ্যায়ের (মাঝখানে) সাথে জহর রায়। ছবি ভানুপুত্র পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রহ থেকে পাওয়া।

জহরের জন্মটা উনিশময়! জন্মতারিখে ১৯, জন্মসালেও ১৯১৯। সেপ্টেম্বর মাসে, পূর্ববঙ্গের বরিশালে। বাবা সত্য (সতু) রায় বরিশাল থেকে পরে চলে আসেন কলকাতায়, স্ত্রী আশালতা আর পুত্র জহরকে নিয়ে। জহরের স্কুলজীবন এই শহরেই, বেলেঘাটার নারকেলডাঙা হাইস্কুল থেকে। এই স্কুল থেকেই ১৯৩৬ সালে ম্যাট্রিক পাশ করেছিলেন জহর। তারপর বাবার চাকরির সূত্রে পরিবারের সাথে পাটনায় চলে যান। পাটনার বিহার ন্যাশনাল কলেজ থেকে ১৯৩৮ সালে ইন্টারমিডিয়েট আর্টস (আইএ) পাশ করেন। পাটনায় থাকতে থাকতেই অ্যামেচার থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন।

অভিনয়ের সাথে জহরের যোগাযোগ কিন্তু এই অ্যামেচার থিয়েটার থেকে নয়, বলা যায় জন্মসূত্রেই। বাবা সতু রায় বেশ কয়েকটি সাইলেন্ট ছবিতে অভিনয় করেছিলেন, যেমন ধীরেন গাঙ্গুলি (ডিজি)-র ব্রিটিশ ডমিনিয়ন ফিল্মের ছবি ‘ফ্লেমস অফ ফ্লেশ’, দেবকী বসুর ‘পঞ্চশর’ এরকম কয়েকটি ছবি ও মঞ্চেও! যদিও অভিনয়ে লম্বা কেরিয়ার তাঁর হয়নি! আবার এই সাইলেন্ট যুগেরই নায়ক এবং অবশ্যই সর্বকালের সেরা নায়কটি যিনি, সেই মানুষটি একসময় ঢুকে পড়বেন জহরের মননে-চিন্তাভাবনায়! স্কুলজীবনেই দেখে ফেলেছেন নায়কের কালজয়ী ফিচারগুলি –‘দ্য কিড’, ‘দ্য গোল্ড রাশ’, ‘দ্য সার্কাস’, ‘সিটি লাইটস’। ম্যাট্রিক পাশ করলেন যে বছর, সেবছরই মুক্তি পেল ‘মডার্ন টাইমস’, আর জহর যখন বিএন কলেজে বিএ পড়ছেন, তখন মুক্তি পেল ‘দ্য গ্রেট ডিক্টেটর’। জহর সেসব ছবি দেখতেন, প্রত্যেকটা বহুবার করে, চার্লির প্রতিটা বাচনভঙ্গি, শরীরী আদবকায়দা, হাসানোর ধরন এসব খুব নিখুঁত ভাবে স্টাডি করতেন। বোধহয় চার্লির ট্র্যাম্পের টুথব্রাশ-গোঁফের স্টাইলকেই ফলো করে পরবর্তী কালে নিজেও রেখেছিলেন ওইরকম ছাঁটা গোঁফ। অর্থাভাবের চাপে আর বেশিদূর পড়তে পারেননি। তাঁর পরে আরো দুই বোন ছিল! বাধ্য হয়ে ফোর্থ ইয়ারেই পড়া ছেড়ে দিয়ে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাসিক কুড়ি টাকা মাইনের প্রুফ রিডারের চাকরি নিলেন! তারপর কিছুদিন হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান ফার্ম্যাসিউটিক্যালসে মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ। তারপরে দিলেন দর্জির দোকান। বেশ ভালো রোজগারই হচ্ছিল, এক দর্জির থেকে শার্ট-প্যান্ট অবধি কাটা শিখে নিয়েছিলেন। কিন্তু যার মগজে ঢুকে গিয়েছে বিষণ্ণ জোকারের দু’পায়ের পাতাকে পরস্পর একশো আশি ডিগ্রি কোণেরেখে হাঁটার অদ্ভুত স্টাইল, স্ট্রাইক-এনিহোয়্যার ম্যাচেসকে পশ্চাদ্দেশে ঘষে জ্বালানোর চূড়ান্ত হাস্যরস, তাঁর কী আর এমন ছাপোষা জীবন ভালো লাগে!

১৯৪৪। অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায় তখন টালিগঞ্জ পাড়ায় বেশ নামটাম করেছেন। ডাকনাম ছিল কালাচাঁদ। জহর বলতেন, কালাচাঁদদা। পাটনায় এলেন থিয়েটার করতে। এমনিতে ভাগলপুরের মানুষ। সেখানেই কালাচাঁদদাকে ধরলেন জহর। আর্জি, সিনেমায় নামবার একটা সুযোগ যদি পান! অর্ধেন্দু বললেন, এরকমভাবে তো হবে না! সিনেমায় নামতে গেলে কলকাতায় আসতে হবে, আর এলেই যে হয়ে যাবে তারও কোনও মানে নেই! এক কথায়, ঘোর অনিশ্চিত জীবন! জহর চ্যালেঞ্জটা নিলেন! অমন চালু দর্জির দোকান তুলে দিয়ে সটান এক চেনা বরযাত্রীর সাথে কলকাতার ট্রেনে চলে এলেন, তাতে ট্রেনভাড়াটা বেঁচে গেল! ভবিষ্যতে কী হবে, কিছুই ঠিক নেই, শুধু জানেন, অভিনয়টা চ্যাপলিনের মত করতে হবে, সেই বিশ্বাসেই…

১৯৪৭। ভারত স্বাধীন হল। অর্ধেন্দুর পরিচালনায় ‘পূর্বরাগ’ মুক্তি পেল সেইবছর। জহরের সিনে-জগতে পদার্পণ! চলবে টানা তিরিশ বছর। তিনশোর কাছাকাছি ছবি। তবে শুরুটা কিন্তু এতটা মসৃণ ছিল না! প্রথম সিনেমার পর টানা একবছর কোনও কাজ পাননি! আবার ১৯৪৮-এ বিমল রায়ের পরিচালনায় ‘অঞ্জনগড়’ ছবিতে অভিনয় করেন! সিনেমা ছাড়াও জহর করেছেন অজস্র পাড়ার ফাংশান, কমিক-স্কেচ আর অবশ্যই নাটক তো বটেই! ফাংশান করার এক প্রবল নেশা ছিল তাঁর। কোনও বাছবিছার করতেন না! যেখানে সেখানে খুব অল্প পারিশ্রমিকেও কাজ করে দিয়েছেন! ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে একারণে প্রায় সবসময়ই বকুনি খেতেন, ভানু ছিলেন অত্যন্ত ইমেজ-সচেতন আর সেখানে জহরের নিজের ইমেজের দিকে কোনও খেয়ালই ছিল না! জহরের সহকর্মী ও বন্ধু, সেইসময়ের আরেক চরিত্র-অভিনেতা ও স্টলওয়ার্ট কমেডিয়ান অজিত চট্টোপাধ্যায় এই ফাংশানের ব্যাপারে জহরকে খুব সাহায্য করতেন, অনেকসময় এমনও হয়েছে, নিজের ফাংশান জহরকে পাইয়ে দিয়েছেন! ’৫০ আর ’৬০-এর দশকে ফাংশান-জহর রায়কে ছাড়া ভাবাই যেত না, আর শুধু তো কলকাতা নয়, কলকাতার বাইরেও গিয়ে করে দিয়ে এসেছেন ফাংশান! ফাংশান অনেকটা যেমন করতেন বাড়তি রোজগারের কারণে, তেমনই ভালোবাসা থেকেও! এরকমও হত, পরপর তিনটে ফাংশান অ্যাটেন্ড করেছেন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে!

আরো পড়ুন : প্রদীপ কুমার – পুরোনো বলিউডের শাহেনশাহ

জনপ্রিয় চলচ্চিত্র-পত্রিকা ‘উল্টোরথ’-এর সাংবাদিক রবি বসু, জহর যাকে নিজের ভাইয়ের মতই ভালোবাসতেন, তিনি যেমন একবার তাঁর দেশের বাড়ি তমলুকের একটা অনুষ্ঠানের জন্য যেতে জহরকে যখন নিমন্ত্রণ করতে যাচ্ছেন ৭১/১এ পটুয়াটোলা লেনের ‘অমিয় নিবাস বোর্ডিং’য়ে, যেখানে ছিল জহরের লাইব্রেরি আর অফিসঘর, তখন গলির মুখেই দেখেন, মির্জাপুর স্ট্রিটে দাঁড়িয়ে পান চিবোচ্ছেন জহর। তখন বিকেল। জহর তাঁকে দেখে বলেন, “এবার কি আমার পান খাওয়া নিয়ে খবর করবি নাকি রে? তোরা যখন আমার নিউ ক্যাথেতে পান করা নিয়ে খবর করতে পারিস তখন সব করতে পারিস!” রবি যখন তাঁকে জিগ্যেস করেন যে, এখন এইসময় অফিসে না থেকে ঠা-ঠা রোদে জহর কেন রাস্তায় দাঁড়িয়ে পান খাচ্ছেন, তখন জহর বলেছিলেন, আসলে গোবরডাঙায় একটা ফাংশানের উদ্যোক্তাদের আসার কথা, তারা তখনও আসেনি, তাদের জন্যই দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু গোবরডাঙার পরে আরও দু’জায়গায় ফাংশানে যাওয়ার কথা, এখানেই দেরি হয়ে গেলে বাকি দুটোয় যেতেও কত দেরি হবে, সেই নিয়ে তিনি তখন চিন্তিত! তারপর রবির আসার উদ্দেশ্য জানতে পেরে বলেন – “তুই যখন রোদে রোদে তেতেপুড়ে ঘামতে ঘামতে এসেছিস তখন এ ফাংশানটা যে ‘খেপ’ নয়, বুঝতে পারছি। বাকি রইল ‘সংক্ষেপ’ আর ‘আক্ষেপ’। এর মধ্যে কোনটা ভেবে এসেছিস?” (জলসার লাইনে খেপ মানে মোটা পারিশ্রমিক, সংক্ষেপ মানে অল্প পারিশ্রমিক আর আক্ষেপ মানে হচ্ছে কোনও পারিশ্রমিক নয়, ভালোবেসে অনুষ্ঠান করে দেওয়া) রবি তাঁকে বলেন, ওই আক্ষেপ আর সংক্ষেপের মাঝামাঝি একটা, মানে উদ্যোক্তা খুশি হয়ে যা দেবে, শিল্পীকেও খুশি মনেই সেটা নিয়ে নিতে হবে!

জহর নিরাশ করেননি, কোনোদিনই, কাউকেই! জহরের সাথে তমলুকের ওই অনুষ্ঠানেই গিয়েছিলেন অপরেশ লাহিড়ী, তাঁর স্ত্রী বাঁশরী লাহিড়ী এবং তাঁদের ছ’বছরের ছেলে বাপি! ছ’বছরের বাপি অসাধারণ তবলা বাজায় শুনে জহর রবিকে বলেছিলেন, “তা তোরা কি আর ওকে তবলা বাজাতে দিবি ঠিক করে! একটু ভালো বাজালেই তো এমন মাথায় তুলবি, যে বারোটা বেজে যাবে!” যাই হোক, জহরের সেই আশঙ্কা যে সত্যি হয়নি, সেটা অল্পদিনের জন্যে হলেও দেখে যেতে পেরেছিলেন তিনি, আর তাতে নিশ্চয় আনন্দই পেয়েছিলেন!

(আবার আগামীকাল…)

ভালোবাসার পক্ষে থাকুন, নিবিড়-এর সঙ্গে থাকুন

About author

Articles

গবেষক ও লেখক
সোহম দাস
Related posts
পর্যালোচনামনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

‘কাবেরী অন্তর্ধান’ – নকশাল আন্দোলনের কুহকে ভালোবাসার গল্প

সত্তর দশকের নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই ছবি। ছবির মধ্যে নকশাল আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এই ছবি প্রেম বিষয়ক। প্রেমকে কেন্দ্র করে যেসব সম্পর্ক-বিচ্ছেদ তৈরি হয়, এই ছবি তারই এক অনন্য সাক্ষ্য বহন করে। ছবির…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

নিষেধ উপেক্ষা করেই মোদিকে নিয়ে বিবিসি'র ডকুমেন্টারি দেখাবে ছাত্র সংসদ

ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিবিসি’র বিতর্কিত তথ্যচিত্র নিয়ে শোরগোল তুঙ্গে। অবস্থান স্পষ্ট করেছে কেন্দ্র। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও তথ্যচিত্রটি দেখানোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশের ছাত্র আন্দোলনের আঁতুরঘর বলে পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ…
Read more
খবরদেশবিদেশবিনোদন

অস্কারের দৌড়ে একাধিক ভারতীয় ছবি! আরআরআর, কান্তারা, থেকে গাঙ্গুবাই

‘কান্তার’, ‘আরআরআর’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘গঙ্গুবাই কাথিয়াওয়াড়’— অস্কারে ভারতীয় ছবির তালিকা ছোট নয়। প্রাথমিক বাছাই পর্ব পেরিয়ে, টপকাচ্ছে চারটে ছবিই। এই প্রথম একসঙ্গে চারটি ভারতীয় ছবি বিশ্বের দরবারে। এই মুহূর্তে বাছাই তালিকায় মোট ৩০১টি বড়…
Read more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিনোদনমনন-অনুধাবনশিল্প-সংস্কৃতি

প্রদীপ কুমার – পুরোনো বলিউডের শাহেনশাহ

Worth reading...