উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ১৫, মি. হোয়াটএভার

চোখের সামনে মিশকালো গঙ্গাটা বয়ে যাচ্ছে। এমন একটা নদী, এই কাকভোরে যার কোনো স্রোত নেই এখন। এগিয়ে চলার কোনো ইচ্ছাই যেন নেই। ফিরে যেতেও যেন তার অনিচ্ছা। সাপের ছেড়ে যাওয়া, কালো, শুকনো খোলসের মত তাকে…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ১৪, বিচ্ছেদের ছুরি

ওদের ক্লাসগুলো নিউ বিল্ডিংয়ের তিনতলায় হয়। আর টিচার্স রুমটা ওল্ড বিল্ডিংয়ের একতলায়। তাই ক্লাস না থাকলে টিচাররা খুব একটা এদিকে আসেন না। ওরাও সেই সুযোগে একটু ভূতের নেত্য করে নেয়। আজও, একইভাবে, ঋক আর টুবাই…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ১৩, দুপুরে পাপড়ি ফোটে

দূর-দূরান্তের একফালি বারান্দা। দুপুর দুটো কি আড়াইটে হবে হয়তো। ছুটির দিন। ফুরফুরে হাওয়া। হেমন্তের কাঁচামিঠে রোদ। তাতে মেলে রাখা স্নানের পরে আর্দ্র, আজানুলম্বিত কেশগুচ্ছ। একটা কবিতার বই। পাশে খোলা নোটবুক। পাতাগুলো উড়ছে অল্প। তারও পাশে…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ১২, হোঁচট

“মণি… মণিইইই… তোমার চিঠি…” নিশ্চল সিঁড়ির নিচ থেকে হাঁক দিল, “সিঁড়ির ওপরে রেখে গেলাম। আসছি,” বলে ও অফিসের পথে রওনা হল তাড়াহুড়ো করে। ভার্চুয়াল যোগাযোগের যুগে চিঠি! তাও আবার ওনার উদ্দেশ্যে! শুনে কিছুটা অবাকই হলেন…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ১০, নিথর ম্যাজিশিয়ান

অন্ধকারের মধ্যে খুট শব্দ করে জ্বলে উঠল লাইটারের আলোটা। বুকপকেট থেকে সিগারেটের বাক্সটা বের করে একটা সিগারেট ধরাল ও। চারপাশটা কেমন রঙিন হয়ে আছে। সব বাড়ির বারান্দা এবং রেলিং ধরে ঝুলে থেকে, জোনাকির মতো মিনিয়েচার…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ৯, ইরাবতী নদীর তীরে

বাড়ি ফেরার সময় সোজা না গিয়ে, ভুল করে সাইকেলটা বাঁদিকে ঘুরিয়ে ফেলল ও। সোজা গেলে শর্টকাট হত। যাইই হোক, এদিক দিয়ে একটু ঘুরপথে হলেও, বাড়ি ফেরা যায়। তাছাড়া, রাস্তাটা আলোআঁধারি। এসব ভারি ভালো লাগে ওর।…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ৮, নাব্যতা

শারদীয়ার ছুটিটা মামার বাড়ির পুজো দেখেই কাটে পাপড়ির। বছরে একবার এখানে আসার সুযোগ পায় ও। আর বীরভূমের এই গ্রামে এলেই ও ফের বেঁচে ওঠে যেন। ময়ূরাক্ষী নদীর স্ফটিকস্বচ্ছ জল, তার কুলুকুলু শব্দ, কাশফুলে ভর্তি পাড়,…
উপন্যাসসাহিত্য

গুলঞ্চ গাছের নিচে, পর্ব - ৬, জন্মবার্ষিকী

‘উফফ! ইনকরিজিবল! এই ছেলেটাকে নিয়ে আর পারা যায় না। অসহ্য একেবারে!’ ঝিম্পাই রাগে কাঁপতে কাঁপতে ঘরে ঢুকেই বিছানায় ধপাস করে বালিশে মুখ গুঁজে শুয়ে পড়ল। খুব রাগ হয়েছে ওর! খুব রাগ হয়েছে! আর হবে না-ই…