৭৫ বছর : হাতের দাগ এখনও আমরা মুছে ফেলিনি!

 অভিষেক সৎপথী 




ভীষণ তৃষ্ণায় তিলে তিলে শেষ পর্যন্ত  মারা যায়

ঠান্ডা রক্তের প্রাণী = মস্তকবিহীন আরশোলা

মানুষ >ইতর শ্রেণির মাকড়


এবং পায়ের তলায় পিষে সহজে পিঁপড়ে মারা  যায়। 

কিংবা খাঁচাশুদ্ধ ইঁদুর চৌবাচ্চায়


১০ মার্চ ১৯৪৫



কয়েক লক্ষ শিশু নরনারী বৃদ্ধ বৃদ্ধা এক লহমায়

ঝলসে গিয়েছিলো 

অথচ অনেক দম্ভে অহংকারের পুরস্কার

 নিয়ে ফিরেছিল সফল মার্কিন বোমারু বিমান

বোয়িং বি ২৯ + লাশের আনুমানিক গণন = নিশ্চিন্ত ঘুম।। 

বৈমানিকের সহজ যৌগিক রাতে

চোখের পাতাযুগল একসাথে লেপ্টে শুয়ে ছিলো । 



সুতরাং, আমরা নিজের গায়ের গন্ধে করি ঘর। 

আলপনার মতো আকাশে বাঁকা চাঁদ পায়ে পায়ে মুছে আসে.... সহজেই ভুলে যায়। 


১০ মার্চ ২০২০


আকাশের দিকে চেয়ে থাকা খুলির অক্ষত দাঁতগুলো

অট্টহাসিতে ফেটে পড়ছে। কোটরের এক দিক থেকে আর একদিকে হাওয়া খেলে। 


পশুবাহিত=মনুষ্যবাহিত


পুনশ্চ, লেডি ম্যাকবেথ  বারবার হাত স্যানিটাইজ  করছে পুরোনো অভ্যাসে।


ছবি – সোহম দেব 

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.